Header Ads

ডেস্কটপ পরিচিতি-২

Standard of service Post e-center


ডেস্কটপের প্যাটার্ণ বদলানোঃ

বিভিন্ন ডেস্কটব প্যাটার্ণ ব্যবহার করে উইন্ডোজের ডেস্কটপটিকে নিজের মত করে সাজিয়ে নেয়া যায়। এবার আমরা ডেস্কটপের প্যাটার্ণ বদলানোর কাজ শিখবো।উইন্ডোজ সেটআপ দিলে সাধঅরণত আপনা থেকেই ডেস্কটপ প্যাটার্ণ সামনে চলে আসে। আমরা ইচ্ছা করলে এটাকে পাল্টিয়ে মনর মত কোন দৃশ্য আমাদের ডেস্কটপের সামনে আনতে পারি।তাই সেটা কম্পিউটারের বিল্ট-ইন ডেস্কটপ প্যাটার্ণ থেকে অথবা অন্য যে কোন পরিমিত সাইজের ছবি ব্যবহারও করা যেতে পারে। আর একাজটি করার জন্য যা করেতে হবে-
(১) ডেস্কটপে যে কোন অংশে মাউসের পয়েন্টার রেখে ডানদিকের বাটনটি চাপলে সাথে সাথে একটা মেনু কমান্ডের তালিকা সামনে আসবে।
(২) ঐ তালিকা থেকে ‘প্রোপাটিস’ নামের মেনু কমান্ডটি সিলেক্ট করতে হবে।ফলে ‘ডিসপ্লে প্রোপাটিস’ নামের একটি ডায়ালগ বক্স বা সংলাপ বক্স প্রদর্শিত হবে।
টাইটেল বারের নীচে বিভিন্ন মেনু কমান্ড রয়েছে। এগুলোর প্রতিটিরই আলাদা আলাদা কাজ।আমরা যেহেতু ডেস্কটপের ব্যাকগ্রাউন্ড পাল্টাতে চাই তাই আমাদেরকে ‘ব্যাকগ্রাউন্ড’ নামের মেনু কমান্ডটিই সিলেক্ট করতে হবে। ফলে ঐ ডায়ালগ বক্সের নিচের দিকে এক অংশে ‘ওয়ালপেপারস’ নামের একটি তালিকা ওপেন হবে। সাদা অংশের মধ্যে যে নামগুলো লেখা রয়েছে ওগুলো সবই এক একটা ওয়ালপেপার বা ডেস্কটপ প্যাটার্ণ ফাইল।যা দেখা যাবে এর নিচে আরও ছবি আছে সেগুলো দেখতে এর ডান পাশে তীর চিহ্নিত অংশের নিচে ক্লিক করলে বা ড্রপডাউন করলে দেখা যাবে।এছাড়া ডায়ালগ বক্সের মাঝামাঝি স্থানে ছোট্ট আকারে একটি ডেস্কটপের ছবি দেখা যাবে।ডেস্কটপ প্যাটার্ণ তালিকা থেকে যেটি সিলেক্ট করা হবে তার প্রদর্শিত রূপ অর্থাৎ প্রিভিউ এখানে দেখা যাবে।
(৩)‘ওয়ালপেপার’ ঘর থেকে এবার একটি ছবি সিলেক্ট করে ডায়ালগ বক্সের মধ্যকার ‘ওকে’ বার্টন ক্লিক করলে ডেস্কটপ প্যাটার্ণ বদলে যাবে এবং তার প্রিভিউ বক্সের মধ্যকার ছোট ডেস্কটপে দেখাবে।আবার ওয়াল পেপার ব্যবহার না করেও প্যাটার্ণ বদলানো যায়।সেজন্য যা করতে হবে-
(ক)ঠিক আগের মত একই নিয়মে মাউসের ডান পাশের বোতাম চেপে ‘প্রোপাটিস’ মেনু কমান্ড সিলেক্ট করে ‘ডিসপ্লে প্রোপাটিস’ ডায়ালগ বক্সটি মনিটরে নিয়ে আসতে হবে।
(খ) প্রদর্শিত ‘ডিসপ্লে প্রোপাটিস’ সংলাপ বক্সের নিচে ডানদিকের ‘প্যাটার্ণ’ সিলেক্ট করতে হবে।  ফলে সংলাপ ঘরে ছোট্ট একটি মনিটরের চিত্র চলে আসবে এবং প্যাটার্ণ নামের সাদা ঘরের মধ্যে অনেকগুলো প্যাটার্ণের নাম লেখা দেখা যাবে। এখানেও ঐ বক্সের ডান পাশের স্ক্রল বক্স-এ তীরে মাউসের ক্লিক করে পছন্দ মত ডেস্কটপ প্যাটার্ণ বদলানো যায়।
(গ) প্রদর্শিত প্যাটার্ণ বক্স থেকে যে কোন একটা সিলেক্ট করলে প্রিভিউ বক্সে তার চিত্র দেখা যাবে।এটাকে কম্পিউটারের ভাষায় এডিট করা বলে।
(ঘ) যদি নির্বাচিত কোন প্যাটার্ণের মধ্যেকার কোন কিছু বদলাতে হয়। তাহলে ঐ সংলাপ বক্সের ডান পাশে ‘এডিট প্যাটার্ণ’ ঘরটি মাউসের সাহায্যে সিলেক্ট করলে ‘প্যাটার্ণ এডিট’ ঘরের একটি সংলাপ বক্স প্রদর্শিত হবে।
(ঙ) প্রদর্শিত সংলাপ ঘরে প্যাটার্ণ অংশে মাউসের সাহায্যে বামদিকের বোতাম চেপে চলমান প্যাটার্ণটি বদলাতে চাইলে ‘ডান’ লেখা বোতামটি চাপতে হবে।
(চ) আগের সংলাপ ঘরে ফিরে এসে ‘ওকে’ সিলেক্ট করতে হবে।
(ছ) এবার প্রদর্শিত ‘ডিসপ্লে প্রোপাটিস’ সংলাপ ঘরের ‘ওয়াল পেপারস’ অংশে ‘নন’ সিলেক্ট করলে সাথে সাথে দেখা যাবে সংলাপ ঘরের ছোট্ট ডেস্কটপের পর্দার আগের প্যাটার্ণ দৃশ্যটি বদলে বর্তামান প্যাটার্ণ দৃশ্যটি ফুটে উঠেছে।
(জ) এবার ঐ সংলাপ ঘরের ওকে বোতাম সিলেক্ট করলে সাথে সাথে পূর্বের ডেস্কটপ প্যাটার্ণ বদলে বর্তামান প্যাটার্ণ দৃশ্যটি দেখা যাবে।
এভাবে আমরা ইচ্ছা মতো বা পছন্দ মতো আমাদের ডেস্কটপের প্যাটার্ণ দৃশ্যটি বদলে নতুন আঙ্গিকে সাজাতে পারি আমাদের ডেস্কটপকে। এমনকি এভাবে নিজের ছবিটিও ডেস্কটপের প্যাটার্ণ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে।

ডকুমেন্ট কপি, কাট এবং পেষ্ট করার পদ্ধতিঃ

আমরা এখন শিখবো কিভাবে একটি ফাইল বা ফোল্ডার কপি করে অন্য কোন ফোল্ডারে রাখা যায়। কিংবা একটি ফাইল বা ফোল্ডারকে অন্য ফোল্ডারে স্থানান্তর করা যায়।প্রথমেই আমরা এ কমান্ডগুলোর শাব্দিক অর্থসহ সংজ্ঞা বা ব্যাখ্যা জেনে নেব। এবং পরবর্তীতে কাজ করার পদ্ধতি বিস্তারিত ভাবে জানবো।
কপিঃ কপি শব্দটির অর্থ হচ্চে কোন কিছুর হুবহু সকল করা। অর্থাৎ কোন ফাইল, ফোল্ডার বা কোন তথ্য কিংবা ছবিকে হুবহু নকল করে অন্য কোথাও স্থানান্তর করা। কম্পিউটারেও সেক্ষেত্রে এর ব্যতিক্রম নয়। কোন ফাইল, ফোল্ডার বা কোন তথ্য কিংবা ছবিকে সিলেক্ট করে এই কমান্ড বা নির্দেশ দিলে কম্পিউটার ওগুলোকে তার অস্থায়ী স্মৃতিভান্ডারে সংরক্ষিত করে, আর এই কাজকে বলা হয় কপি করা।
কাটঃ কাট শব্দের অর্থ কেটে নেওয়া। অর্থাৎ কোন ফাইল, ফোল্ডার বা কোন তথ্য কিংবা ছবিকে কেটে নিয়ে অন্য কোথাও স্থানান্তর করা। কমান্ডটিও কপি কমান্ডের মতোই কোন ফাইল, ফোল্ডার বা কোন তথ্য কিংবা ছবিকে সিলেক্ট করে এই কমান্ড বা নির্দেশ দিলে কম্পিউটার ওগুলোকে কেটে নিয়ে তার অস্থায়ী স্মৃতিভান্ডারে সংরক্ষিত করে, আর এই কাজকে বলা হয় কাট করা।
পেষ্টঃ পেষ্ট শব্দের অর্থ হচ্ছে প্রতিস্থাপন করা।কম্পিউটারের কোন ফাইল, ফোল্ডার বা কোন তথ্য কিংবা ছবিকে সিলেক্ট করে কাট অথবা কপি কমান্ডের মাধ্যমে কম্পিউটারের অস্থায়ী স্মৃতিভান্ডারে সংরক্ষিত করা থাকলে তা এই কমান্ডের মাধ্যমে সেগুলেকে অন্য কোন ফোল্ডার বা আমাদের নির্দেশিত কম্পিউটারের হার্ডডিস্কের কোন স্থানে পুণরায় হুবহু স্থাপন করাকেই বলা হয় পেষ্ট করা।
কাট এবং কপি এর কাজের ধরণ একই হলেও এর মধ্যে বেশ পার্থক্য বিদ্যমান। আমরা এখন জানবো কাট এবং কপির মধ্যে ঠিক কি ধরণের পার্থক্য রয়েছে।
(১) কম্পিউটারের হার্ডডিস্কের কোন নির্দিষ্ট স্থানের কোন সিলেক্ট করা ফাইল, ফোল্ডার, তথ্য বা ছবি কপি কমান্ডের মাধ্যমে কপি করলে তা কম্পিউটারের স্থায়ী স্মৃতি ভান্ডারে থাকে আবার অস্থায়ী স্মৃতি ভান্ডারেও জমা হয়। কারণ এটাকে নকল করা বলে। তাই আসলটাতো থাকবেই যেটা স্থায়ী মেমরীতে বা স্মৃতিতে জমা থাকে। আবার নকলটা অস্থায়ী মেমরীতে জমা হচ্ছে।
(২) কম্পিউটারের হার্ডডিস্কের কোন নির্দিষ্ট স্থানের কোন সিলেক্ট করা ফাইল, ফোল্ডার, তথ্য বা ছবি কাট কমান্ডের মাধ্যমে কেটে নিলে তা কম্পিউটারের স্থায়ী স্মৃতি ভান্ডারে থাকেনা কেবল মাত্র অস্থায়ী স্মৃতি ভান্ডারে জমা হয় পরবর্তী নির্দেশের অপেক্ষায়।কারণ এটাকে কেটে নেওয়া বলে। তাই আসলটাতো আর থাকবেই না সেটা অস্থায়ী মেমরীতে জমা হবে।
অবশ্য একটি কাজে এ দু’টি কমান্ডের বেশ মিল আছে। দু’টি কমান্ডেই নির্দিষ্ট ফাইল, ফোল্ডার, তথ্য বা ছবি অস্থায়ী মেমরীতে জমা করে রাখে এবং উভয় ক্ষেত্রেই তা পেষ্ট কমান্ডের মাধ্যমে হার্ডডিস্কের অন্য কোন নির্দিষ্ট স্থানে স্থানান্তর করা হয়। এ কারণেই কম্পিউটারের কোন ফাইল, ফোল্ডার, তথ্য বা ছবি হার্ডডিস্কের এক স্থান থেকে অন্য কোন নির্দিষ্ট স্থানে স্থানান্তর করার কাজে কাট কমান্ড ব্যবহৃত হয়। এক্ষেত্রে একটি কথা মনে রাখতে হবে কপি বা কাট করা ডকুমেন্ট সবসময়ই অস্থায়ী স্মৃতিতে জমা হয় কিন্তু বিদ্যুৎ সরবারাহ বন্ধ হয়ে বা অন্য যে কোন কারণে কম্পিউটার বন্ধ হয়ে গেলে তা অস্থায়ী স্মৃতিভান্ডার থেকে মুছে যাবে।অর্থাৎ পুণরায় কম্পিউটার চালু করলে ঐ কপি বা কাট করা ডকুমেন্ট আর পেষ্ট হবে না, তা পুণরায় কাট বা কপি করতে হবে।

কপি এবং পেষ্ট করার পদ্ধতিঃ

কোন ডকুমেন্ট কপি এবং পেষ্ট করার জন্য দু’টি পদ্ধতি অবলম্বন করে করা যায়। এক- মাউস এর সাহায্যে এবং দুই কীবোর্ড এর সাহায্যে।
মাউসের সাহায্যে কাজটি করতে হলে যে ফাইল, ফোল্ডার বা ডকুমেন্ট ‘কপি’ করতে মাউসের বাম বোতাম চেপে তা সিলেক্ট করে নিতে হবে। এরপর সিলেক্ট করা অবস্থায় মাউসের ডান বোতাম চাপলে একটি কমান্ড মেনু বা মেনু কমান্ডের তালিকা প্রদর্শিত হবে। এবার এখান থেকে ‘কপি’ নামের মেনু কমান্ডটি সিলেক্ট করতে হবে।ব্যাস ফাইলটি কপি হয়ে গেল এবং কম্পিউটারের অস্থায়ী মেমরীতে ফাইলটি আপাতাত: সংরক্ষিত হলো। এবার এই ফাইলটিকে যে স্থানে বা যে ফোল্ডারে রাখতে চাই সেখানে যেতে হবে।অর্থাৎ যে ফোল্ডারে রাখতে চাই সেই ফোল্ডারের উপর মাউসের বাম পাশের বোতাম ডবল ক্লিক করে খুলতে হবে। তারপর খোলা ফোল্ডারের ভিতরে যেয়ে মাউসের ডান পাশের বোতামটি চাপতে হবে। এখানকার মেনু কমান্ডের তালিকা থেকে ‘পেষ্ট’ নামের মেনু কমান্ডটি সিলেক্ট করলে ফাইলটি ঐ ফোল্ডারে বা ঐ স্থানে তা পেষ্ট হবে। এক্ষেত্রে উক্ত ফাইলটি দু’জায়গায় প্রদর্শিত হবে। কারণ ফাইলটি আমরা নকল করেছি বা কপি করেছি।
কীবোর্ড এর সাহায্যে ফাইল, ফোল্ডার বা ডকুমেন্ট কপি ও পেষ্ট করতে হলে মাউসের বাম বোতাম চেপে তা সিলেক্ট করে নিতে হবে। এবার কীবোর্ড থেকে ‘সিটিআরএল কী এবং ইংরেজী বর্ণমালা ‘সি’ লেখা কী একসাথে চাপলে তা কপি হয়ে যাবে। এবার তা যেখানে বা ফোল্ডারে রাখতে হবে সেখানে নিয়ে কীবোর্ড থেকে ‘সিটিআরএল’ কী এবং ইংরেজি বর্ণমালা ‘ভি’ লেখা কী একসাথে চাপলে সেখানে ফাইল পেষ্ট হয়ে যাবে। এক্ষেত্রে উক্ত ফাইলটি দু’জায়গায় প্রদর্শিত হবে। কারণ ফাইলটি আমরা নকল করেছি বা কপি করেছি। অবশ্য এই কমান্ডটি যতবার ব্যবহার করা হবে ততবারই কপি করা ফাইলটি পেষ্ট হতে থাকবে।

কাট এবং পেষ্ট করার পদ্ধতিঃ

মাউসের সাহায্যে কাজটি করতে হলে- যে ফাইল, ফোল্ডার বা ডকুমেন্ট ‘কাট’ করতে মাউসের বাম বোতাম চেপে তা সিলেক্ট করে নিতে হবে। এরপর সিলেক্ট করা অবস্থায় মাউসের ডান বোতাম চাপলে একটি কমান্ড মেনু বা মেনু কমান্ডের তালিকা প্রদর্শিত হবে। এবার এখান থেকে ‘কাট’ নামের মেনু কমান্ডটি সিলেক্ট করতে হবে।ব্যাস সাথে সাথে ফাইলটি কাট হয়ে অদৃশ্য হয়ে যাবে এবং কম্পিউটারের অস্থায়ী মেমরীতে ফাইলটি আপাতাত: সংরক্ষিত হবে। এবার এই ফাইলটিকে যে স্থানে বা যে ফোল্ডারে রাখতে চাই সেখানে যেতে হবে। অর্থাৎ যে ফোল্ডারে রাখতে চাই সেই ফোল্ডারের উপর মাউসের বাম পাশের বোতাম ডবল ক্লিক করে খুলতে হবে। তারপর খোলা ফোল্ডারের ভিতরে যেয়ে মাউসের ডান পাশের বোতামটি চাপতে হবে। এখানকার মেনু কমান্ডের তালিকা থেকে ‘পেষ্ট’ নামের মেনু কমান্ডটি সিলেক্ট করলে ফাইলটি ঐ ফোল্ডারে বা ঐ স্থানে তা পেষ্ট হবে।এই কমান্ড যতবার ব্যবহার করা হবে ততবারই ফাইলটি পেষ্ট হতে থাকবে।
কীবোর্ড এর সাহায্যে ফাইল, ফোল্ডার বা ডকুমেন্ট কাট ও পেষ্ট করতে হলে মাউসের বাম বোতাম চেপে তা সিলেক্ট করে নিতে হবে। এবার কীবোর্ড থেকে ‘সিটিআরএল কী এবং ইংরেজী বর্ণমালা ‘এক্স’ লেখা কী একসাথে চাপলে নির্বাচিত ফাইল বা ফোল্ডারটি বা ডকুমেন্টটি কাট হয়ে যাবে এবং পূর্বের অবস্থান থেকে ডকুমেন্টটি হারিয়ে যাবে। এবার ডকুমেন্টটি যেখানে বা ফোল্ডারে রাখতে হবে সেখানে নিয়ে কীবোর্ড থেকে ‘সিটিআরএল’ কী এবং ইংরেজি বর্ণমালা ‘ভি’ লেখা কী একসাথে চাপলে সেখানে ফাইল পেষ্ট হয়ে যাবে। অবশ্য এবার এই কমান্ডটি যতবার ব্যবহার করা হবে ততবারই কাট করা ফাইলটি পেষ্ট হতে থাকবে।

ফইল ও ফোল্ডারের ওজন নির্ধারণঃ

এটা স্বাভাবিক যে প্রতিটি জিনিষেরই ওজন আছে। আমরা কম্পিউটারে বসে যে ফাইল বা ফোল্ডার বা ডকুমেন্ট তৈরি করি বা পূর্বের সংরক্ষিত ডকুমেন্ট ফাইলটিরও ওজন আছে।কিন্তু এই ওজন আমাদের প্রচলিত কেজি, গ্রাম বা পাউন্ড ইত্যাদি মাপে মাপা যাবে না। কম্পিউটারের এই ফাইল বা ডকুমেন্ট মাপা হয় তার সাইজ বা আকারের উপর ভিত্তি করে। আর এর মাপের একক হলো ‘বাইট’। কম্পিউটারের হিসেব অনুযায়ী প্রায় এক হাজার বাইটে এক ‘কিলোবাইট’। আবার একহাজার কিলোবাইটে এক ‘মেগাবাইট’, এইরূপে এক হাজার মেগাবাইটে এক ‘গিগাবাইট’ এবং একহাজার গিগাবাইটে এক ‘টেরাবাইট’ ধরা হয়।

ফাইল বা ফোল্ডারের ওজন দেখার পদ্ধতিঃ

আমাদের উইন্ডোজ ডেস্কটপের অবস্থিত প্রতিটি ফাইল বা ফোল্ডারে নিজস্ব একটা ওজন আছে।সেটা আবার ঐ বাইট, কিলোবাইট, মেগাবাইট, গিগাবাইটের ওজনে। যে ফাইল বা ফোল্ডারের ওজন জানতে চাই সেই ফাইল বা ফোল্ডারের উপর মাউসের বাম পাশের বোতাম চেপে সিলেক্ট করতে হবে। সিলেক্ট করা অবস্থায় মাউসের ডান পাশের বোতাম চেপে মেনু কমান্ডের তালিকা থেকে ‘প্রোপাটিস’ মেনু কমান্ডটি সিলেক্ট করতে হবে। এবার প্রদর্শিত ‘প্রোপাটিস’ নামের ডায়ালগ বক্স থেকে শুধু ফাইল বা ফোল্ডারের ওজন নয় বরং ফাইলের সবকিছুরই বিস্তারিত বর্ণনা রয়েছে এখানে। প্রথমে মেনুবার, তার নিচে ফোল্ডারের ছবির পাশেই রয়েছে ফাইলটির নাম, তার নিচে পরপর সাজানো রয়েছে টাইপ বা ধরণ, লোকেশন বা স্থান অর্থাৎ ফাইলটি কোথায় আছে। তার নিচে রয়েছে ফাইল বা ফোল্ডারের সাইজ। এছাড়াও কত তারিখে, কোন সময়, ফাইলটি তৈরি, কতটুকু জায়গা দখল করে বসে আছে ইত্যাদি সব বিষয়ের উত্তর এখানে পাওয়া যাবে। এবার সংলাপ বক্সের ডান কোণে অবস্থিত ক্রস চিহ্নিত স্থানে মাউসের বাম পাশের বোতাম চেপে এখান থেক বেরিয়ে আসতে হবে। এভাবে আমরা আমাদের হার্ডডিস্কের অবস্থান যেমন, কত জায়গা ব্যবহার হয়েছে এবং কত জায়গা খালি আছে তা জানা যাবে।

কয়েকটি অতি প্রয়োজনীয় আইকন বা চিহ্নঃ

আমাদের উইন্ডোজের ডেস্কটপে প্রতিদিন কাজে লাগার মত বেশ কয়েকটি আইকন বা চিহ্ন আছে। কম্পিউটার চালু হওয়ার সাথে সাথে এগুলো মনিটরে প্রদর্শিত হয়। এগুলোকে নিয়ে এখন আলোচনা করবো।
উইন্ডোজের ডেস্কটপ এর ষ্ট্যাট মেনুর সাথে আমরা ইতিপূর্বেই পরিচিত হয়েছি।ঐ একই লাইনের ডান পাশের কোণে অর্থাৎ ডেস্কটপের নিচের ডানদিকে কয়েকটি চিহ্ন বা আইকন আছে। অবশ্য সব চিহ্ন সব কম্পিউটারে নাও থাকতে পারে। তবে দু’টো চিহ্ন নিশ্চয়ই থাকবে। আর তা হলো স্পীকার একং তারিখ-সময় আইকন।

স্পীকার বা ভলিউম আইকনঃ 

এই স্পীকারের চিহ্নটি হচ্ছে আমাদের কম্পিউটারের সাউন্ড সিষ্টেমের ভলিউম। এর উপর মাউসের পয়েন্টার নিয়ে বাম পাশের বোতাম একবার চাপলে বা একটা ক্লিক করলে তাৎক্ষণিক একটি চিত্র ভেসে উঠবে যা দিয়ে ভলিউম কম বা বেশী করা যায়। অর্থাৎ কম্পিউটারের সাউন্ড কম বেশী করা যায়।অবশ্য কম্পিউটারে সাউন্ড কার্ড লাগানো থাকলে সেখান থেকেও এই ভলিউম বাড়ানো বা কমানোর কাজ করা যাবে। চৌক এই ভলিউম বক্সটির নিচে ‘মুট’ নামের যে নির্দেশটি দেওয়া আছে এবং এর পাশে একটা ছোট্ট বক্স আছে; একে বল হয় ‘চেক বক্স’।ঐ বক্সে মাউসের ক্লিক করলে এটা একটা ‘ক্রস’ চিহ্নে রূপান্তরিত হবে। তখন আমাদের কম্পিউটার কোন শব্দ করবে না। অর্থাৎ কম্পিউটারের ভলিউম অকেজো হয়ে যাবে। ভলিউমকে আবার কাজের যোগ্য করতে হলে ঐ চেকবক্সে মাউসের ক্লিক করে ঐ ক্রস চিহ্ন উঠিয়ে দিতে হবে।

ঘড়ি আর তারিখ আইকনঃ

কম্পিউটারে বিশ্বমানের ঘড়ি এবং ক্যালেন্ডার আছে। ওগুলো অবশ্য সয়ংক্রিয় ভাবে চলে।কম্পিউটার বন্ধ করে রাখলেও এর ভিতরকার ব্যাটারির শক্তি এই ঘড়ি ও ক্যালেন্ডার চালু রাখে।যে কারণে যখনই কম্পিউটার ওপেন করা হোক না কেন, তখনই এ’দুটো একটিভ বা চালু হয়ে বর্তমান সময় ও তারিখটি নিয়ে প্রদর্শিত হবে।ডেস্কটপে নির্দেশিত ঘড়ি ও তারিখের আইকনের উপর মাউসের পয়েন্টার নিয়ে গেলে বা রাখলেই বর্তমান সময় ও তারিখ দেখায়। অবশ্য কম্পিউটারে প্রদর্শিত সময় ও তারিখ সঠিক নাও থাকতে পারে। আর তা না থাকলে যেভাবে তা পাল্টানো যাবে এবার তার নিয়মটি দেখবো- এজন্য ধাপে ধাপে যে কাজগুলো করতে হবে-
(১) প্রথমে তারিখ ও সময় আইকনের উপর মাউসের পয়েন্টার নিয়ে ডবল ক্লিক করতে হবে। ফলে ‘ডেট/টাইম প্রোপাটিস’ নামে একটি সংলাপ বক্স প্রদর্শিত হবে।
(২) এই সংলাপ বক্সের ‘টাইটেল বারে’র নিচে রয়েছে ‘মেনুবার’। সেখানে ‘ডেট এন্ড টাইম’ এবং ‘টাইম জোন’ নামের দু’টো মেনু পাশাপাশি রয়েছে। এবার ‘ডেট এন্ড টাইম’ মেনুটি মাউসের সাহায্যে সিলেক্ট করতে হবে।
(৩) প্রথমে মাসের নাম বদলানোর জন্য সংলাপ ঘরে যেখানে মাসের নাম দেখাচ্ছে সেখানে বা তার পাশের তীর চিহ্নে মাউসের সিঙ্গল ক্লিক করতে হবে। এখানে বারো মাসের তালিকা থেকে মাউস দিয়ে ক্লিক করে কাঙ্খিত মাসটি সিলেক্ট করলে নামটি মাসের ঘরে চলে যাবে।
(৪)এবার একই ভাবে মাসের কত তারিখ তা সিলেক্ট করে দিতে হবে।
(৫) এবার তারিখটি পাল্টাতে হলে ঘড়ির ছবির নিচে একটি ডিজিটাল ঘড়ি চিহ্ন আছে। এখান থেকে মাউস দিয়ে সিলেক্ট করে ঘন্টা, মিনিট, সেকেন্ড ইত্যাদি ঠিক করে দিতে হবে।
(৬) এবার সংলাপ ঘরের ‘ডেট এন্ড টাইম’ মেনুর পাশে ‘টাইম জোন’ নামের মেনুটি মাউস দিয়ে সিলেক্ট করে নিতে হবে এবং এখান থেকে টাইম জোন ঠিক করে দিতে হবে। কম্পিউটারের এই অংশে সারা পৃথিবীর টাইম সংকেত দেওয়া আছে। ইচ্ছা করলে যেকোন দেশের চলমান টাইম বা সময় এখান থেকে জেনে নেওয়া যাবে। আমরা বাংলাদেশের মানুষ যেহেতু ঢাকার সাথে সময় মিলিয়ে চলি, তাই টাইম জোন থেকে ‘(জিএমটি+০৬.০০)আস্তানা ঢাকা’ সিলেক্ট করে দিতে হবে। তাহলে কম্পিউটার সঠিকভাবে বাংলাদেশ টাইম দেখাবে।‘(জিএমটি+০৬.০০)আস্তানা ঢাকা’ এর অর্থ হলো গ্রিনিসমান সময় মানের সাথে আমাদের দেশের সময় ৬ঘন্টা যোগ হবে।অথবা বাংলাদেশের সময় যে কয়টা বাজবে গ্রিনিসমান সময় তার চেয়ে ৬ঘন্টা কম হবে।
(৭) সবগুলো কাজ ঠিকঠাকমত হয়ে গেলে উক্ত সংলাপ ঘরের ওকে বোতাম ক্লিক করে অথবা কীবোর্ডথেকে এন্টার কী চেপে কাজটি শেষ করা যায়। এবং সাথে সাথে দেখা যাবে তারিখ ও সময় আইকনে বর্তমান ঠিক করে দেওয়া টাইম ও তারিখ প্রদর্শিত হচ্ছে।

No comments

Powered by Blogger.