Header Ads

ইভিএমে ভোটদানের পদ্ধতি শেখাতে বরিশাল যাচ্ছেন সিইসি

সেবা পোস্ট ই-সেন্টারের আদর্শ

ফাইল ফটো
ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার করে ভোটগ্রহণ করার প্রতি অনাস্থা প্রকাশ করেছে বিএনপিসহ কয়েকটি রাজনৈতিক দল। তাই এই ভোটযন্ত্রের ওপর সবার আস্থা তৈরিতে নির্বাচন কমিশন (ইসি) হাতে নিয়েছে ভোটারদের প্রশিক্ষণের উদ্যোগ।
যার কারণে আজ মঙ্গলবার (৫ জুন) রাতে বরিশাল যাচ্ছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা। বুধবার বরিশাল শহরের বিভিন্ন কর্মশালার মাধ্যমে সাধারণ নাগরিকদের ইভিএম সম্পর্কে ধারণা দেবেন তিনি। এছাড়াও নির্বাচন কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ঠ সকলকে ইভিএমের ব্যবহারের ওপর প্রশিক্ষণও দেবেন তিনি।
এদিকে নতুন ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন কেনা শুরু করেছে ইসি। সংসদ নির্বাচন ও স্থানীয় সরকারের নির্বাচনের জন্য প্রাথমিকভাবে ২ হাজার ৫৩৫ সেট ইভিএম কিনেছে ইসি। আরও ১৫০০ সেট কেনার প্রস্তুতি চলছে। ইভিএম গুলোর প্রতিটির দাম পড়ছে গড়ে প্রায় ২ লাখ টাকা। এসব ইভিএম বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরির কাছ থেকে কেনা হচ্ছে।
জানা গেছে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারে সফলতা পেলে সংসদ নির্বাচনে বড় পরিশরে ইভিএম ব্যবহার করবে ইসি।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ১/১১ এর এটিএম শামসুল হুদা কমিশন স্থানীয় নির্বাচনে ইভিএমের প্রচলন ঘটান। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সহায়তায় প্রথমে ২০১০ সালে ৫৩০ ইভিএম মেশিন কেনা হয়। নির্বাচনে ব্যবহার করতে গিয়ে দেশের প্রধান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রস্তত করা ইভিএমে নানা যান্ত্রিক ত্রুটি ধরা পড়ে। পরে ২০১১ সালে বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরির (বিএমটিএফ) প্রস্তুত করা ৭০০ ইভিএম কিনলেও এগুলো পুরোপুরি ত্রুটিমুক্ত ছিল না।
হুদা কমিশন ২০১১ সালে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) নির্বাচনে ২১ নম্বর ওয়ার্ডে বুয়েটের ইভিএম ব্যবহার করে। পরে কুমিল্লা সিটি করপোরেশন, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন, টাঙ্গাইল পৌরসভা ও নরসিংদী পৌরসভায় এ প্রযুক্তি ব্যবহার হয়। পরে ২০১২ সালের ফেব্রুয়ারিতে রকিব উদ্দীন কমিশন দায়িত্ব নেয়। তাদের মেয়াদে রাজশাহী সিটিতে ২০১৩ সালে ইভিএম ব্যবহার করে পুরো বিতর্কের মধ্যে পড়ে যায়। তবে নতুন ইভিএমের প্রচলন চালু রেখে যায়।
ওই মাসেই নুরুল হুদার কমিশন দায়িত্বে এসে কমিটি করে পুরনো ইভিএমকে পরিত্যক্ত ঘোষণা করে। নতুন প্রবর্তিত ইভিএমে রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ১৪১ নম্বর কেন্দ্রের ছয়টি কক্ষে ব্যবহার করে। কিন্তু পুরোপুরি ত্রুটিমুক্ত ছিল না। পুরনো ইভিএমের মতো ত্রুটি নিয়ে নির্বাচন শেষ করতে হয়। তবে খুলনায় ইভিএম ব্যবহারে সফলতা পায় ইসি। পরবর্তী সময়ে সুরক্ষিত ইভিএম তৈরিতে যত ধরনের সম্ভাব্য উপায় রয়েছে তা খতিয়ে দেখে মাঠে নেমে পড়ে ইভিএমের কারিগরি টিম।

No comments

Powered by Blogger.