Header Ads

পবিত্র মাহে রমজানের স্বাগতম আজ চাঁদ দেখা গেছে, আগামীকাল শুক্রবার রোজা শুরু


বাংলাদেশের আকাশে পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে। শুরু হলো সিয়াম সাধনার মাস পবিত্র মাহে রমজান। শুক্রবার (১৮ মে) থেকে শুর হবে পবিত্র রোজা।

সেবা ই-সেন্টারের আদর্শ
বৃহস্পতিবার (১৭ মে) সন্ধ্যায় রাজধানীর ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির এক সভা শেষে এ কথা জানানো হয়। ধর্মমন্ত্রী ও জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ মতিউর রহমান সভায় সভাপতিত্ব করেন।
রমজানের চাঁদ দেখা যাওয়ায় আজ এশার নামাজের পর মসজিদে মসজিদে তারাবি নামাজ পড়বেন মুসল্লিরা। বৃহস্পতিবার দিবাগত শেষরাতে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা সেহ্‌রি খাবেন।
আগামীকাল (১৮ মে) পবিত্র রমজান মাসের রহমতের প্রথম ১০ দিনের প্রথম দিন। আজ দিবাগত ভোররাত ৩টা ৪৬ মিনিটে সেহ্‌রির শেষ সময়। আগামীকাল মঙ্গলবার ইফতার হবে সন্ধ্যা ৬টা ৩৯ মিনিটে।
উল্লেখ্য, সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে ১৬ মে পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ায় ১ রমজান শুরু হয় আজ ১৭ মে থেকে।
সাধারণত সৌদি আরবে চাঁদ দেখা দিলে তার পরের দিন বাংলাদেশের আকাশে চাঁদ দেখা যায়। সেই হিসেবে বাংলাদেশে শুক্রবার থেকে পবিত্র রমজান মাস শুরু হবে।
সব মসজিদে একই পদ্ধতিতে খতম তারাবির আহ্বান

দেশের সব মসজিদে খতম তারাবি পড়ার সময় একই পদ্ধতি অনুসরণ করার জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে আহ্বান জানানো হয়েছে।
রাষ্ট্রীয় এই প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, দেশের প্রায় সব মসজিদে খতম তারাবিতে পবিত্র কোরআনের নির্দিষ্ট পরিমাণ পারা তেলাওয়াতের রেওয়াজ চালু আছে। তবে কোনো কোনো মসজিদে এর ভিন্নতা পরিলক্ষিত হয়। এতে করে বিভিন্ন স্থানে যাতায়াতকারী মুসল্লিদের মধ্যে কোরআন খতমের ধারাবাহিকতা রক্ষা করা সম্ভব হয় না। এই অবস্থায় ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের মধ্যে একটি মানসিক অতৃপ্তি ও অতুষ্টি অনুভূত হয়। কোরআন খতমের পূর্ণ সওয়াব থেকেও তারা বঞ্চিত হন।
এ পরিস্থিতি নিরসনকল্পে পবিত্র রমজানের প্রথম ছয় দিনে দেড় পারা হিসাবে নয় পারা এবং বাকি ২১ দিনে এক পারা হিসাবে ২১ পারা তেলাওয়াত করলে ২৭ রমজান রাতে অর্থাৎ পবিত্র লাইলাতুল কদরে কোরআন খতম করা সম্ভব।
এর আগে বিষয়টি নিয়ে দেশবরেণ্য আলেম-ওলামা, পীর-মাশায়েখ ও খতিব-ইমামদের সঙ্গে আলোচনা হলে তারাও এ পদ্ধতিতে খতম তারাবি পড়ার পক্ষে অভিমত দেন এবং সে মোতাবেক অধিকাংশ মসজিদে এ পদ্ধতি অনুসরণ করা হয় বলে জানায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন।

No comments

Powered by Blogger.