Header Ads

কী-বোর্ড প্রাকটিস

Standard of service Post e-center


কীবোর্ড প্রাকটিস

মাইক্রোসফট ওয়ার্ড হচ্ছে একটি ওয়ার্ড প্রসেসিং সফওয়্যার। তাই ওয়ার্ড প্রসেসিং করার জন্য সঠিকভাবে কীবোর্ড ব্যবহার জানা আবশ্যক। সঠিক নিয়মে কীবোর্ড ব্যবহার না জানলে দ্রুত টাইপের কাজ করা সম্ভব নয়। দ্রুত টাইপের নিয়ম জানতে হলে পর্যায়ক্রমিকভাবে কিছু অনুশীলণ করতে হবে।পৃথিবীর সব কীবোর্ডে একইভাবে ইংরেজী অক্ষর সাজানো থাকে। তাই যে কীবোর্ডেই কাজ করা হোক না কেন কীবোর্ড প্রাকটিস করতে বা পরবর্ত্তীতে লেখা লেখির কাজ করতে কোন অসুবিধা হবে না। তাই আমরা প্রথমেই ইংরেজী অক্ষর টাইপ করার নিয়ম প্রাকটিস করবো।ইংরেজী অক্ষর টাইপে পারদর্শী হলে পরবর্ত্তীতে বাংলা বা অন্যকোন ভাষার টাইপিং প্রাকটিস সহজ হবে।তাহলে আর দেরী নয়, কাজ শুরু করা যাক।
প্রথমে দুই হাত ভাল করে পরিষ্কার করে মুছে নিতে হবে।কারণ হাতে পানি বা তৈল জাতীয় কিছু লেগে থাকলে কীবোর্ডে তার ছাপ পড়তে পারে। এতে কাজ করতেও অসুবিধা হবে। এবার মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ওপেন করে অফিস টুলবার অথবা স্ট্যাটমেনুর প্রোগ্রামস মেনু কমান্ডের তালিকা থেকে ‘ডব্লিউ’ চিহ্নিত মাইক্রোসফট ওয়ার্ড লেখা ফাংসনটি ওপেন করতে হবে। এরপর প্রদর্শিত ওয়ার্ড ডকুমেন্টস পেজের ‘ফন্ট’ বক্স থেকে ‘টাইস নিউ রোমান’ নামের ফন্ট বা অক্ষরটি সিলেক্ট করে নিতে হবে।এরপর ফন্ট সাইজ বক্স থেকে ফন্ট সাইজ ২৬ পয়েন্ট বা অন্য যে কোন নম্বর সিলেক্ট করে নিতে হবে। এবার কীবোর্ডের ‘সিটিআরএল’ চেপে ধরে ‘এস’ অক্ষরটি চেপে ‘টাইপ টেষ্টিং’ নামের একটা ফাইল সেভ করতে হবে। এরপর মাইক্রোসফট মূল উইন্ডোর সাদা পাতার প্রথমে যেখানে কারসর ব্লিপ করছে সেখানে কারেন্ট তারিখটি লিখতে হবে।প্রতিটি পাঠ শেষে কিবোর্ড থেকে ‘সিটিআরএল’ চেপে ধরে ‘এস’ অক্ষরটি চেপে বারংবার ফাইলটি সেভ করতে হবে। পরবর্ত্তীতে যখনই এই টাইপ টেষ্টিং ফাইল দেখার প্রয়োজন হবে তখন ফাইলটি খুলে নিতে হবে। আর এটা করা মানে সেভ করা ফাইল থেকে নিজের কাজের অগ্রগতির ফলাফল জানা যাবে।তাছাড়া এই টাইপ টেষ্টিং বা কীবোর্ড প্রাকটিস একদিনে শেষ করা সম্ভব নয় তাই ফাইল সেভ করা থাকলে তা দেখে নিজেই নিজের কাজের অগ্রগতি পরীক্ষা করে সেভাবে কাজ করা সহজ হবে।

টাইপ শুরুর প্রস্ততিঃ

011 permalink="https://cciedu.wordpress.com/%e0%a6%95%e0%a7%80-%e0%a6%ac%e0%a7%8b%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a1-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%b8/011-2/#main" src="https://cciedu.files.wordpress.com/2016/02/0111.jpg?w=775" />কীবোর্ডে আঙুল রাখার নিয়মঃ কীবোর্ডের আলফাবেটিক অংশটিকে মনে মনে দু’টি ভাগে ভাগ করে নিতে হবে। যার ডান দিকের ভাগে থাকবে ডান হাতের আঙুলগুলো এবং বাম দিকে ভাগে থাকবে বাম হাতের আঙুলগুলো। আলতোভাবে কীবোর্ডের বোতাম গুলো ছুঁয়ে থাকবে দু’হাতের আঙুলগুলো। শুধুমাত্র টাইপের সময় প্রয়োজনীয় কী এর উপর রাখা আঙুল হালকাভাবে একবার করে চাপ দিতে হবে। কীবোর্ডের মাঝের লাইন থেকে শুরু করতে হবে। তাই বাম হাতের চারটি আঙুল রাখতে হবে মাঝের লাইনের বাম অংশে A  S  D  F অক্ষরগুলোর উপর, যেখানে কণিষ্ঠ থাকবে ‘A’ অক্ষরের উপর এবং তর্জনী আঙুল থাকবে ‘F’ অক্ষরের উপর। ডান হাতের চারটি আঙুল ডান অংশের ; L K J অক্ষরগুলোর উপর। যেখানে কনিষ্ঠ আঙুল থাকবে ‘;’ অক্ষরের উপর এবং তর্জনী আঙুল থাকবে ‘J’ অক্ষরের উপর। কীবোর্ডের উপর ভাল করে খেয়াল করে দেখলে দেখা যাবে কীবোর্ডের ‘J’ এবং ‘F’ অক্ষরের উপর দুটো ছোট ছোট বিন্দু (-) চিহ্ন উচু হয়ে রয়েছে। এই বিন্দু দু’টোকে অনুভবের মাধ্যমেও হাতের আঙুলগুলো সেট করে নেয়া যেতে পারে। বাম দিকের অংশের এফ অক্ষরের বিন্দুর উপর বাম হাতের তর্জনী আঙুল বসবে এবং ডান দিকে অংশে J অক্ষরের বিন্দুর উপর বাম হাতের তর্জনী আঙুল বসবে। সুতরাং যে কেউ ইচ্ছা করলে কীবোর্ড না দেখেও নিজের হাত দুটো যথাস্থানে বসাতে পারবে। বৃদ্ধা আঙুলদ্বয় থাকবে কীবোর্ডের সবচেয়ে বড় কী অর্থাৎ স্পেসবারের উপর। অক্ষর বা শব্দের মাঝে ফাক তৈরী করার জন্য এটা ব্যবহার করা হবে। এটা এক চাপে একটি স্পেস, দুই চাপে দুটি স্পেস হবে।ইংরেজী কিংবা বাংলা যে ভাষার অক্ষরই টাইপ করা হোক না কেন হাতের অবস্থান একই জায়গায় রেখে সেই আঙুল সোজা অক্ষরটি উক্ত আঙুল দিয়ে টাইপ করতে হবে তাই সে উপরে বা নীচে যেখানকার অক্ষর হোক না কেন টাইপ করতে একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে।

প্রথম পাঠ

একটির পর একটি কী চেপে বাম দিকের বা বাম হাতের অংশের A থেকে F পর্যন্ত অক্ষরগুলো টাইপ করতে হবে। এরপর তর্জনী আঙুল ডান দিকে একটু বাড়িয়ে G অক্ষরটি টাইপ করতে হবে। প্রতিটি অক্ষরের মধ্যে দু’টি করে স্পেস দিতে হবে।
বাম হাতের টাইপঃ a s d f g
তারপর ডান হাতের অংশের ; থেকে J পর্যন্ত অক্ষরগুলো টাইপ করতে হবে। এরপর তর্জনী আঙুল বাম দিকে একটু বাড়িয়ে H অক্ষরটি টাইপ করতে হবে। প্রতিটি অক্ষরের মাঝে যথাক্রমে দুটি করে স্পেস দিতে হবে।
ডান হাতের টাইপঃ ; l  k  j  h
এন্টার কী চেপে নিচের লাইনে যেয়ে উপরোক্ত নিয়মে স্পেস দিয়ে প্রথমে বাম এবং পরে ডান দিকের অক্ষরগুলো টাইপ করতে হবে।
a  s  d  f  g     ;  l  k  j  h
এভাবে কমপক্ষে ১০০বার এই টাইপগুলো অনুশীলণ করতে হবে।কোন অক্ষর ভুল হলে ব্যাকস্পেস কী চেপে মুছে ফেলে আবার লিখতে হবে। যতক্ষণ কীবোর্ডের দিকে বা মনিটরের দিকে না তাকিয়ে লেখা অভ্যাস হচ্ছে ততক্ষণ একই টাইপ প্রাকটিস করতে হবে। তারপর দ্বিতীয় পাঠ অভ্যাস করতে হবে।
এরপর এরপর Enter কী চেপে নীচের অনুশীলণ টাইপ করতে হবে কমপক্ষে ১০বার-
নীচের অনুশীলণ টাইপ করতে হবে কমপক্ষে ১০বার-
dada; sada; kala; kada; iasad; fashad
এবার ফাইলটি সেভ করতে হবে- (Ctrl+S) কীবোর্ড কমান্ড ব্যবহার করে।

দ্বিতীয় পাঠ

(‘শিফট’ কী ব্যবহার)
এবার ‘শিফট’ কী ব্যবহার করে টাইপ করতে হবে। কারণ এ পাঠের অক্ষরগুলো বড়ো হাতের অক্ষর। আর বড় হাতের লেখার অক্ষর লেখার নিয়ম হলো ‘শিফট’ কী চেপে ধরে উক্ত অক্ষরটি লিখতে হবে। লেখার নিয়ম হলো বাম হাতের বা বাম পাশের বড় হাতের অক্ষর টাইপ করতে ডান দিকের কনিষ্ঠ আঙুল দিয়ে ‘শিফট’ কী চেপে ধরে বাম হাতের টাইপগুলো করতে হবে। ঠিক একইভাবে ডান দিকের অক্ষরগুলো টাইপ করতে বাম হাতের কণিষ্ঠ আঙুল দিয়ে ‘শিফট’ কী চেপে ধরে ডান হাতের অংশের টাইপগুলো করতে হবে। প্রতিটি অক্ষরের মধ্যে দু’টি করে স্পেস দিতে হবে। প্রত্যেকটি অক্ষরের জন্য প্রত্যেকবার শিফট কী চেপে নিচের পাঠগুলো কমপক্ষে ১০০বার টাইপ করতে হবে।
বাম হাতের টাইপঃ A  S  D  F  G
ডান হাতের টাইপঃ :  L  K  J  H
এন্টার কী চেপে নিচের লাইনে যেয়ে উপরোক্ত নিয়মে স্পেস দিয়ে প্রথমে বাম এবং পরে ডান দিকের অক্ষরগুলো টাইপ করতে হবে।
A  S  D  F  G       :  L  K  J  H
এভাবে কমপক্ষে ১০০বার এই টাইপগুলো অনুশীলণ করতে হবে।কোন অক্ষর ভুল হলে ব্যাকস্পেস কী চেপে মুছে ফেলে আবার লিখতে হবে। যতক্ষণ কীবোর্ডের দিকে বা মনিটরের দিকে না তাকিয়ে লেখা অভ্যাস হচ্ছে ততক্ষণ একই টাইপ প্রাকটিস করতে হবে। তারপর তীয় পাঠ অভ্যাস করতে হবে।
এরপর নীচের অনুশীলণ টাইপ করতে হবে কমপক্ষে ১০বার-
DADA; SADA; KALA; KADA; JASAD; FASHAD;
এরপর Enter কী চেপে নীচের অনুশীলণ টাইপ করতে হবে কমপক্ষে ১০বার-
Dada; Sada; Kala; Kada; Jasad; Fashad;
এবার ফাইলটি সেভ করতে হবে- (Ctrl+S) কীবোর্ড কমান্ড ব্যবহার করে।

তৃতীয় পাঠ

এবার ‘শিফট’ কী ব্যবহার না করে টাইপ করতে হবে। কারণ এ পাঠের অক্ষরগুলো ছোট হাতের অক্ষর। আর ছোট হাতের লেখার অক্ষর লেখার নিয়ম হলো ‘শিফট’ কী না চেপে সরাসরি উক্ত অক্ষরটি লিখতে হবে। প্রতিটি অক্ষরের মধ্যে দু’টি করে স্পেস দিতে হবে। প্রত্যেকটি অক্ষরের জন্য প্রত্যেকবার শিফট কী চেপে না চেপে নিচের পাঠগুলো কমপক্ষে ১০০বার টাইপ করতে হবে।
বাম হাতের টাইপঃ q  w  e  r  t
ডান হাতের টাইপঃ p  o  i  u  y
এন্টার কী চেপে নিচের লাইনে যেয়ে উপরোক্ত নিয়মে স্পেস দিয়ে প্রথমে বাম এবং পরে ডান দিকের অক্ষরগুলো টাইপ করতে হবে।
q  w  e  r  t          p  o  i  u  y
এভাবে কমপক্ষে ১০০বার এই টাইপগুলো অনুশীলণ করতে হবে।কোন অক্ষর ভুল হলে ব্যাকস্পেস কী চেপে মুছে ফেলে আবার লিখতে হবে। যতক্ষণ কীবোর্ডের দিকে বা মনিটরের দিকে না তাকিয়ে লেখা অভ্যাস হচ্ছে ততক্ষণ একই টাইপ প্রাকটিস করতে হবে। তারপর তীয় পাঠ অভ্যাস করতে হবে।
এরপর Enter কী চেপে নীচের অনুশীলণ টাইপ করতে হবে কমপক্ষে ১০বার-
quit, port, pwirt,  ipert, quike,    ouit, luis,  sweet,  skart,  shirt.
এবার ফাইলটি সেভ করতে হবে- (Ctrl+S) কীবোর্ড কমান্ড ব্যবহার করে।

চতুর্থ পাঠ

(‘শিফট’ কী ব্যবহার)
এবার ‘শিফট’ কী ব্যবহার করে টাইপ করতে হবে। কারণ এ পাঠের অক্ষরগুলো বড়ো হাতের অক্ষর। আর বড় হাতের লেখার অক্ষর লেখার নিয়ম হলো ‘শিফট’ কী চেপে ধরে উক্ত অক্ষরটি লিখতে হবে। লেখার নিয়ম হলো বাম হাতের বা বাম পাশের বড় হাতের অক্ষর টাইপ করতে ডান দিকের কনিষ্ঠ আঙুল দিয়ে ‘শিফট’ কী চেপে ধরে বাম হাতের টাইপগুলো করতে হবে। ঠিক একইভাবে ডান দিকের অক্ষরগুলো টাইপ করতে বাম হাতের কণিষ্ঠ আঙুল দিয়ে ‘শিফট’ কী চেপে ধরে ডান হাতের অংশের টাইপগুলো করতে হবে। প্রতিটি অক্ষরের মধ্যে দু’টি করে স্পেস দিতে হবে। প্রত্যেকটি অক্ষরের জন্য প্রত্যেকবার শিফট কী চেপে নিচের পাঠগুলো কমপক্ষে ১০০বার টাইপ করতে হবে।
বাম হাতের টাইপঃ Q  W  E  R  T
ডান হাতের টাইপঃ P  O  I  U  Y
এন্টার কী চেপে নিচের লাইনে যেয়ে উপরোক্ত নিয়মে স্পেস দিয়ে প্রথমে বাম এবং পরে ডান দিকের অক্ষরগুলো টাইপ করতে হবে।
Q  W  E  R  T    P  O  I  U  Y
এভাবে কমপক্ষে ১০০বার এই টাইপগুলো অনুশীলণ করতে হবে।কোন অক্ষর ভুল হলে ব্যাকস্পেস কী চেপে মুছে ফেলে আবার লিখতে হবে। যতক্ষণ কীবোর্ডের দিকে বা মনিটরের দিকে না তাকিয়ে লেখা অভ্যাস হচ্ছে ততক্ষণ একই টাইপ প্রাকটিস করতে হবে। তারপর তীয় পাঠ অভ্যাস করতে হবে।
এরপর Enter কী চেপে নীচের অনুশীলণ টাইপ করতে হবে কমপক্ষে ১০বার-
QUIT,  PORT,  PWIRT, IPERT
এরপর Enter কী চেপে নীচের অনুশীলণ টাইপ করতে হবে কমপক্ষে ১০বার-
Quike; Luis; Sweet; Skart; Shirt.
এবার ফাইলটি সেভ করতে হবে- (Ctrl+S) কীবোর্ড কমান্ড ব্যবহার করে।

পঞ্চম পাঠ

এবার ‘শিফট’ কী ব্যবহার না করে টাইপ করতে হবে। কারণ এ পাঠের অক্ষরগুলো ছোট হাতের অক্ষর। আর ছোট হাতের লেখার অক্ষর লেখার নিয়ম হলো ‘শিফট’ কী না চেপে সরাসরি উক্ত অক্ষরটি লিখতে হবে। প্রতিটি অক্ষরের মধ্যে দু’টি করে স্পেস দিতে হবে। প্রত্যেকটি অক্ষরের জন্য প্রত্যেকবার শিফট কী চেপে না চেপে নিচের পাঠগুলো কমপক্ষে ১০০বার টাইপ করতে হবে।
বাম হাতের টাইপঃ z  x  c  v  b
ডান হাতের টাইপঃ /  .  ,  m  n
এন্টার কী চেপে নিচের লাইনে যেয়ে উপরোক্ত নিয়মে স্পেস দিয়ে প্রথমে বাম এবং পরে ডান দিকের অক্ষরগুলো টাইপ করতে হবে।
z  x  c  v  b    /  .  ,  m  n
এভাবে কমপক্ষে ১০০বার এই টাইপগুলো অনুশীলণ করতে হবে।কোন অক্ষর ভুল হলে ব্যাকস্পেস কী চেপে মুছে ফেলে আবার লিখতে হবে। যতক্ষণ কীবোর্ডের দিকে বা মনিটরের দিকে না তাকিয়ে লেখা অভ্যাস হচ্ছে ততক্ষণ একই টাইপ প্রাকটিস করতে হবে। তারপর তীয় পাঠ অভ্যাস করতে হবে।
এরপর Enter কী চেপে নীচের অনুশীলণ টাইপ করতে হবে কমপক্ষে ১০বার-
xcmn, bcmnv, xcbv/, nmxv,
এবার ফাইলটি সেভ করতে হবে- (Ctrl+S) কীবোর্ড কমান্ড ব্যবহার করে।

ষষ্ঠ পাঠ

(‘শিফট’ কী ব্যবহার)
এবার ‘শিফট’ কী ব্যবহার করে টাইপ করতে হবে। কারণ এ পাঠের অক্ষরগুলো বড়ো হাতের অক্ষর। আর বড় হাতের লেখার অক্ষর লেখার নিয়ম হলো ‘শিফট’ কী চেপে ধরে উক্ত অক্ষরটি লিখতে হবে। লেখার নিয়ম হলো বাম হাতের বা বাম পাশের বড় হাতের অক্ষর টাইপ করতে ডান দিকের কনিষ্ঠ আঙুল দিয়ে ‘শিফট’ কী চেপে ধরে বাম হাতের টাইপগুলো করতে হবে। ঠিক একইভাবে ডান দিকের অক্ষরগুলো টাইপ করতে বাম হাতের কণিষ্ঠ আঙুল দিয়ে ‘শিফট’ কী চেপে ধরে ডান হাতের অংশের টাইপগুলো করতে হবে। প্রতিটি অক্ষরের মধ্যে দু’টি করে স্পেস দিতে হবে। প্রত্যেকটি অক্ষরের জন্য প্রত্যেকবার শিফট কী চেপে নিচের পাঠগুলো কমপক্ষে ১০০বার টাইপ করতে হবে।
বাম হাতের টাইপঃ Z  X  C  V  B
ডান হাতের টাইপঃ N  M  <  >  ?
এন্টার কী চেপে নিচের লাইনে যেয়ে উপরোক্ত নিয়মে স্পেস দিয়ে প্রথমে বাম এবং পরে ডান দিকের অক্ষরগুলো টাইপ করতে হবে।
Z  X  C  V  B      N  M  <  >  ?
এভাবে কমপক্ষে ১০০বার এই টাইপগুলো অনুশীলণ করতে হবে।কোন অক্ষর ভুল হলে ব্যাকস্পেস কী চেপে মুছে ফেলে আবার লিখতে হবে। যতক্ষণ কীবোর্ডের দিকে বা মনিটরের দিকে না তাকিয়ে লেখা অভ্যাস হচ্ছে ততক্ষণ একই টাইপ প্রাকটিস করতে হবে। তারপর তীয় পাঠ অভ্যাস করতে হবে।
এরপর Enter কী চেপে নীচের অনুশীলণ টাইপ করতে হবে কমপক্ষে ১০বার-
ZCMN, BCMNV, XCBV?, NMZV
এরপর Enter কী চেপে নীচের অনুশীলণ টাইপ করতে হবে কমপক্ষে ১০বার-
Frist, Second, Third, Fourth, Fifth, Sixth, Seventh, Eighth, Ninth, Tenth.
Enter কী চেপে নিচের লাইনে লিখতে হবে। কমপক্ষে ১০ বার-
A Quick Brown Fox Jumps Over The Lazy Dog.
এবার ফাইলটি সেভ করতে হবে- (Ctrl+S) কীবোর্ড কমান্ড ব্যবহার করে।

বাংলায় লেখার জন্য কীবোর্ড প্রাকটিসঃ

বাংলা টাইপিং বা লেখার জন্য সাধারণতঃ আলাদা সফটওয়্যার কম্পিউটারে ইনষ্টল করে নিতে হয়। বর্তমানে বাজারে অনেক ধরণের কী-লেআউট সফটওয়্যার বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। তারমধ্যে সবচেয়ে বেশী ব্যবহৃত ও অপেক্ষাকৃত সহজ কী-লেআউট হচ্ছে বিজয় কী-লেআউট। বিজয় কীবোর্ড লেআউটে টাইপ করা যেমন সহজ তেমনি বাংলার বিভিন্ন যুক্ত অক্ষর টাইপ করাও অনেক সহজ।বাংলায় লেখালেখির আগে এই সফটওয়্যারটি কম্পিউটারে ইনষ্টল করে নিতে হবে। তাহলেই চাহিদা মাফিক বাংলা টাইপ করা সম্ভব হবে। যা হোক,আর সময় নষ্ট না করে কাজের কথায় আসা যাক। বাংলা টাইপ প্রাকটিস করার আগে যেমন বাংলা কী-লেআউট সফটওয়্যার ইনষ্টল করার দরকার হয় তেমনি বাংলা ফন্টও ইনষ্টল করার দরকার হয়।বিজয় সফটওয়্যার ইনষ্টল করা থাকলে ইংরেজী কীবোর্ড দ্বারাও বাংলা টাইপ করা যায়।তাই বাংলা টাইপ শুরু করার আগে কম্পিউটারের ফন্ট বক্স থেকে  দেখে নিতে হবে বাংলা অক্ষর বা ফন্ট ইনষ্টল করা আছে কিনা। অধিক ব্যবহৃত কয়েকটি বাংলা ফন্ট, যেমন, SutonnyII, SutonnyMJ, SulekhaT, ইত্যাদি। ধরা যাক, আমাদের কম্পিউটারে সবকিছু ঠিকমত দওয়া আছে।বাংলা লেখা শুরু করার জন্য যা করতে হবে-
(১) প্রথমে কম্পিউটার ওপেন করে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ওপেন করতে হবে।
(২)ফন্টবক্স বক্স থেকে SutonnyMJ ফন্টটি নির্বাচন করতে হবে।
(৩) সাইজ বক্স থেকে ফন্ট সাইজ ২৬পয়েন্ট সিলেক্ট করলে দেখতে এবং পড়তে সুবিধা হবে।
(৪) এবার কীবোর্ড থেকে ‘সিটিআরএল’ কী চেপে ধরে ‘এস’ অক্ষরটি চেপে ‘বাংলা টাইপ টেষ্টিং’ নামের একটা ফাইল সেভ করতে হবে। অর্থাৎ Ctrl+S
(৫) এবার কীবোর্ড থেকে ‘সিটিআরএল’ এবং ‘এএলটি’ কীদ্বয় চেপে ধরে ‘বি’ অক্ষরটি চেপতে হবে। অর্থাৎ Ctrl+Alt+B
ইংরেজী থেকে বাংলা কী-লেআউটে যেতে এবং বাংলা থেকে ইংরেজী কী-লেআউটে যেতে এই কাজটি করতে হবে। অর্থাৎ বাংলা লেখার মাঝে কোন কিছু ইংরেজীতে অথবা ইংরেজী লিখতে লিখতে বাংলায় লেখার দরকার হলে Ctrl+Alt+B কমান্ডটি ব্যবহার করতে হবে। যতবার ইংরেজী থেকে বাংলা এবং বাংলা থেকে ইংরেজী লেখার দরকার হবে ততবারই একাজটি করতে হবে।

প্রথম পাঠ

ইংরেজী টাইপ করার মত হাত দু’খানা কীবোর্ডের যথাস্থানে যথা নিয়মে আলতোভাবে রাখতে হবে। এরপর মাঝখানের লাইন থেকে শুরু করতে হবে। অর্থাৎ কীবোর্ডের যে লাইনে (ASDFG) লেখা আছে। আগের মত একই নিয়মে কীগুলোকে পরিচালনা করতে হবে তবে প্রতিটি অক্ষরের মাঝে তিনটি করে স্পেস দিতে হবে। প্রথমে বাম হাতের অংশ এবং তারপর ডান হাতের অংশ এক এক করে টাইপ করতে হবে। নিচের অনুশীলনটি কমপক্ষে ১০০বার টাইপ করতে হবে।
বামহাতের অংশঃ  ৃ   ‍ু   ি   া  ্
ডানহাতের অংশঃ  ;   দ   ত   ক   ব
এন্টার কী চেপে নিচের লাইনে যেতে হবে এভাবে কমপক্ষে ১০০বার অনুশীলণটি টাইপ করতে হবে।
এরপর প্রতিটি শব্দের পর একটি করে স্পেস দিয়ে নিচের অনুশীলনটি কমপক্ষে ১০বার টাইপ করতে হবে।
দাদা; কাকা; বাবা; দিদি; কাতুকুতু; বিবি; কৃতি;

দ্বিতীয় পাঠ

(‘শিফট’ কী ব্যবহার)
প্রথম পাঠের মত একই নিয়মে কীগুলোকে পরিচালনা করতে হবে তবে Shift কী ব্যবহার করে অর্থাৎ  কীবোর্ডের শিফট কী চেপে ধরে প্রতিটি অক্ষর টাইপ করতে হবে এবং প্রতিটি অক্ষরের মাঝে তিনটি করে স্পেস দিতে হবে। প্রথমে ডান হাতের কনিষ্ঠ আঙুল দিয়ে Shift কী চেপে ধরে বাম হাতের অংশ এবং তারপর বাম হাতের কনিষ্ঠ আঙুল দিয়ে Shift কী চেপে ধরে ডান হাতের অংশ এক এক করে টাইপ করতে হবে। নিচের অনুশীলনটি কমপক্ষে ১০০বার টাইপ করতে হবে।
বামহাতের অংশঃ  র্   ‍ূ   ী   অ  ।
ডানহাতের অংশঃ  :   ধ   থ   খ   ভ
এন্টার কী চেপে নিচের লাইনে যেতে হবে এভাবে কমপক্ষে ১০০বার অনুশীলণটি টাইপ করতে হবে।
এরপর প্রতিটি শব্দের পর একটি করে স্পেস দিয়ে নিচের অনুশীলনটি কমপক্ষে ১০বার টাইপ করতে হবে।
অধিক; কথা; অবাক; কর্তা; তীর্থ; দাতা; ভীত;

তৃতীয় পাঠ

এরপর উপরের লাইন থেকে শুরু করতে হবে। অর্থাৎ কীবোর্ডের যে লাইনে (QWERT)লেখা আছে। আগের মত একই নিয়মে কীগুলোকে পরিচালনা করতে হবে এবং প্রতিটি অক্ষরের মাঝে তিনটি করে স্পেস দিতে হবে। প্রথমে বাম হাতের অংশ এবং তারপর ডান হাতের অংশ এক এক করে টাইপ করতে হবে। নিচের অনুশীলনটি কমপক্ষে ১০০বার টাইপ করতে হবে।
বামহাতের অংশঃ  ঙ   য   ড   প   ট
ডানহাতের অংশঃ  ড়   গ   হ   জ   চ
এন্টার কী চেপে নিচের লাইনে যেতে হবে এভাবে কমপক্ষে ১০০বার অনুশীলণটি টাইপ করতে হবে।
এরপর প্রতিটি শব্দের পর একটি করে স্পেস দিয়ে নিচের অনুশীলনটি কমপক্ষে ১০বার টাইপ করতে হবে।
পড়তি; ভাঙা; জড়পদার্থ; অপদার্থ; অবিকৃত; গড়; যথাযথ; ডাবু; টুকিটাকি; হাতাহাতি; চাপাবাজি;

চতুর্থ পাঠ

(‘শিফট’ কী ব্যবহার)
তৃতীয় পাঠের মত একই নিয়মে কীগুলোকে পরিচালনা করতে হবে তবে Shift কী ব্যবহার করে অর্থাৎ  কীবোর্ডের শিফট কী চেপে ধরে প্রতিটি অক্ষর টাইপ করতে হবে এবং প্রতিটি অক্ষরের মাঝে তিনটি করে স্পেস দিতে হবে। প্রথমে ডান হাতের কনিষ্ঠ আঙুল দিয়ে Shift কী চেপে ধরে বাম হাতের অংশ এবং তারপর বাম হাতের কনিষ্ঠ আঙুল দিয়ে Shift কী চেপে ধরে ডান হাতের অংশ এক এক করে টাইপ করতে হবে। নিচের অনুশীলনটি কমপক্ষে ১০০বার টাইপ করতে হবে।
বামহাতের অংশঃ  ং   য়   ঢ   ফ   ঠ
ডানহাতের অংশঃ  ঢ়   ঘ   ঞ   ঝ   ছ
এন্টার কী চেপে নিচের লাইনে যেতে হবে এভাবে কমপক্ষে ১০০বার অনুশীলণটি টাইপ করতে হবে।
এরপর প্রতিটি শব্দের পর একটি করে স্পেস দিয়ে নিচের অনুশীলনটি কমপক্ষে ১০বার টাইপ করতে হবে।
ছবি; ফাটা; কাছাকাছি; মিঞা; ঘড়ি; ঢংঢং; ঝাড়বাতি; ফড়িং;

পঞ্চম পাঠ

এরপর নিচের লাইন থেকে শুরু করতে হবে। অর্থাৎ কীবোর্ডের যে লাইনে (ZXCVB)লেখা আছে। আগের মত একই নিয়মে কীগুলোকে পরিচালনা করতে হবে এবং প্রতিটি অক্ষরের মাঝে তিনটি করে স্পেস দিতে হবে। প্রথমে বাম হাতের অংশ এবং তারপর ডান হাতের অংশ এক এক করে টাইপ করতে হবে। নিচের অনুশীলনটি কমপক্ষে ১০০বার টাইপ করতে হবে।
বামহাতের অংশঃ  ্র   ও   ে   র   ন
ডানহাতের অংশঃ  /    .    ,   ম   স
এন্টার কী চেপে নিচের লাইনে যেতে হবে এভাবে কমপক্ষে ১০০বার অনুশীলণটি টাইপ করতে হবে।
এরপর প্রতিটি শব্দের পর একটি করে স্পেস দিয়ে নিচের অনুশীলনটি কমপক্ষে ১০বার টাইপ করতে হবে।
মসৃণ; ওঝা; পঠন; রঙবেরঙ; সমতা; সাতরং;

ষষ্ঠ পাঠ

(‘শিফট’ কী ব্যবহার)
পঞ্চম পাঠের মত একই নিয়মে কীগুলোকে পরিচালনা করতে হবে তবে Shift কী ব্যবহার করে অর্থাৎ  কীবোর্ডের শিফট কী চেপে ধরে প্রতিটি অক্ষর টাইপ করতে হবে এবং প্রতিটি অক্ষরের মাঝে তিনটি করে স্পেস দিতে হবে। প্রথমে ডান হাতের কনিষ্ঠ আঙুল দিয়ে Shift কী চেপে ধরে বাম হাতের অংশ এবং তারপর বাম হাতের কনিষ্ঠ আঙুল দিয়ে Shift কী চেপে ধরে ডান হাতের অংশ এক এক করে টাইপ করতে হবে। নিচের অনুশীলনটি কমপক্ষে ১০০বার টাইপ করতে হবে।
বামহাতের অংশঃ  ্য   ৗ   ৈ   ল   ণ
ডানহাতের অংশঃ  ?   >   <   শ   ষ
এন্টার কী চেপে নিচের লাইনে যেতে হবে এভাবে কমপক্ষে ১০০বার অনুশীলণটি টাইপ করতে হবে।
এরপর প্রতিটি শব্দের পর একটি করে স্পেস দিয়ে নিচের অনুশীলনটি কমপক্ষে ১০বার টাইপ করতে হবে।
সত্য; মিথ্যা; ওষুধ; বৈঠক; বৌ; শীঘ্র;
উপরের অনুশীলণটি শেষ হলে প্রতিটি শব্দের পর একটি করে স্পেস দিয়ে নিচের অনুশীলণটি কমপক্ষে ৫০বার টাইপ করতে হবে।
আমার দেশের নাম বাংলাদেশ। ঢাকা বাংলাদেশের রাজধানী। ঘরের খবর পরের কাছে। তুমি কেমন করে বাড়ি যাবে? যদি তোমার বাড়ির পাশে আমার বাড়ি হতো, তাহলে বেশ হতো।

যুক্ত অক্ষর তৈরির নিয়মঃ

ইংরেজি টাইপ এবং বাংলা টাইপের মধ্যে প্রধান পার্থক্য হলো যুক্ত অক্ষর তৈরি করা। একটু লক্ষ্য করলেই দেখা যাবে উপরের পাঠগুলির কোনটিতেই যুক্ত অক্ষর নেই। যুক্ত অক্ষর তৈরি করার জন্য কীবোর্ডের অন্য একটি অক্ষরের সহায্য নিতে হয়। আর সেই অক্ষরটি হলো ইংরেজি ‘জি’(G)। উদাহরণ হিসেবে ধরা যাক আমাদের ‘স্ক’ যুক্ত অক্ষরটি টাইপ করতে হবে। তবে এক্ষত্রে উচ্চারণটা খুবই জরুরী। কারণ যে দৃ’টো অক্ষর যুক্ত করতে হবে তা সঠিক উচ্চারণের উপর ভিত্তি করে কম্পিউটারকে বোঝাতে হবে ঠিক কোন কোন অক্ষর যুক্ত করতে চাই। আর যুক্ত করার বিষয়টি কম্পিউটারকে বোঝাতে হবে G এই অক্ষরটি দিয়ে।‘স্ক’ বানান টাইপ করতে হলে প্রথমে ‘স’ অক্ষরটি যেখানে আছে সেই কী চাপতে হবে তারপর ঐ G কী চেপে ক অক্ষরটি যেখানে আছে সেই কী চাপতে হবে। অর্থাৎ স+G+ক = স্ক ( ইংরেজি কীবোর্ডের n>G>j চাপতে হবে)   এভাবেই বাংলা টাইপের যাবতীয় যুক্ত অক্ষরগুলি তৈরি করতে হবে। এছাড়া স্বরবর্ণের কিছু অক্ষর এখানে নেই যেমন- এ, ঐ, ই, ঈ, উ, ঊ, ঔ, ঋ ইত্যাদি। এ অক্ষরগুলো লিখতে প্রথমে ইংরেজি G অক্ষরটি চেপে যে বর্ণটি লিখতে চাই তার চিহ্নটি চাপতে হবে। যেমন- এ = G+ে(জি এর পরে এ’কার) অর্থাৎ ইংরেজি অক্ষর (জি এর পর সি) অক্ষর পাচতে হবে , ঐ= G+ ৈ(জি যোগ ওই’কার)অর্থাৎ ইংরেজি (জি এর পর শিপট চেপে ধরে সি) অক্ষর চাপতে হবে। ই= G+ ি(জি যোগ  ি’কার)অর্থাৎ ইংরেজি (জি এর পর ডি) অক্ষর চাপতে হবে।, ঈ= G+ী(জি যোগ ী’কার)অর্থাৎ ইংরেজি (জি এর পর শিপট চেপে ধরে ডি) অক্ষর চাপতে হবে।,উ= G+ু(জি যোগ ু’কার)অর্থাৎ ইংরেজি (জি এর পরে এস) অক্ষর চাপতে হবে।, ঊ= G+ূ(জি যোগ ূ’কার)অর্থাৎ ইংজি (জি এর পর শিপট চেপে ধরে এস) অক্ষর চাপতে হবে।, ঔ= G+ৗ(জি যোগ ৗ’কার)অর্থাৎ ইংরেজি (জি এর পর শিপট চেপে ধরে এক্স) অক্ষর চাপতে হবে।, ঋ= G+ৃ(জি যোগ ৃ’কার)অর্থাৎ ইংজি (জি এর পর এ) অক্ষর চাপতে হবে,ইত্যাদি।

No comments

Powered by Blogger.