Header Ads

চুল নিয়ে ফুটবলারদের কাণ্ড!

সেবা পোস্ট ই-সেন্টারের আদর্শ

অনেক মানুষের চুল নিয়ে যুগে যুগে রচিত হয়েছে অনেক কবিতা ও গান। আবার চুলের জন্যই হয়েছে জনপ্রিয়। ঠিক বিশ্বকাপ চলে আসলেই শুরু হয় এ চুল নিয়ে ভিবিন্ন ধরেন কাট। খেলোয়ার থেকে শুরু করে ক্রীড়া প্রেমীরা পিছিয়ে থাকে না চুলের যত্ন নিয়ে কিন্তু বরাবরে মতো বিশ্বকাপ এলেই চুল থাকছে আর্কষনের মূল কেন্দ্রে।
৯০ দশককে বলা যায় ফুটবালারদের হেয়ার স্টাইলের স্বর্ন যুগ। নেদারল্যান্ডসের রুড গুলিত ফুটবল নৈপুণ্যের পাশাপাশি পুরো বিশ্বের মন কেড়েছিলেন বাহারি চুল দিয়েও। ১৯৯০ বিশ্বকাপ খেলা রুড গুলিতকে চিনতে ভুল করতেন না কেউই।
মাঝ মাঠ থেকে গোল দিয়ে ফুটবল প্রেমীদের মন কেড়েছে কলম্বিয়ার কার্লোস ভালদেরামা। একই সঙ্গে তার সোনালী ঝাগরা চুলও আকর্ষণ বাড়িয়ে দেয় বিশ্বকাপের। ১৯৯০ ও ১৯৯৪ বিশ্বকাপে সোনালি রঙ্গের চুল নিয়ে খেলেছেন কার্লোস ভালদেরামা।
১৯৯৪ বিশ্বকাপে চুলের জন্য সারা ফেলেন যুক্তরাষ্ট্রের ফুটবলার আলেক্সি লালাস। লালচে রঙ্গের চুল ও তার সঙ্গে ফ্রান্স কাট দারির জন্য ফুটবল প্রেমীদের কাছে আলাদা ভাবে নজরে পরতেন এই ডিফেন্ডার।
১৯৯৮ বিশ্বকাপে তিউনিশিয়ার বিপক্ষে হলুদ চুল নিয়ে মাঠে নামে রোমানিয়ার প্রতিটি খেলোয়ার। রোমানিয়াদের জার্সি রং হলুদ তবে সেই ম্যাচে লাল রঙ্গয়ের জার্সি পরেছিলো তারা। তাই হলুদ কে বেছে নিতে সবার চুলের রঙ্গ ছিলো হলুদ।
নাইজেরিয়ার টেরিবো ওয়েস্ট চুলের যত্ন নিতে অনেকটা সময় ব্যয় করতে। ১৯৯৮ ও ২০০২ বিশ্বকাপে সবুজ রঙ্গের চুল ছিলো তার।
চুল এলোমেলো থাকলে সবাই বলে কাকের বাসা কিন্তু মাথায় কাকের বাসা বানিয়ে যে তারকা বনে যাওয়া যায় তারই প্রমান বেলজিয়ামের মারুয়াইন ফারেলি। ২০১৪ বিশ্বকাপ খেলা এই মিডফিল্ডার দেখা যাবে ২০১৮ বিশ্বকাপেও।
২০১৪ বিশ্বকাপে মাথার পেছনে সরু ইঁদুরের লেজের মতো লম্বা বেণী করা চুল, (যাকে ইংরেজিতে বলা হয় র্যাটটেইলই)। ঠিক এমন চুল নিয়ে খেলেছে আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড প্যালাসিও।
ব্রাজিলের রোনালদোকে টাক মাথায় দেখে অভ্যস্থ ছিলো সাবাই কিন্তু টেলিভিশনের পর্দায় রবার্তো কার্লোসকে দেখলেই বাবা ডাকা শুরু করতো রোনালদোর ২ বছরের ছেলে। তাই এমন চুলের স্টাইল নিয়ে ২০০২ বিশ্বকাপ জিতেছে এই ব্রাজিলিয়ান তারকা।

No comments

Powered by Blogger.